খিচুড়ি পছন্দ করেন না এমন লোকের সংখ্যা খুব কম। যে কোনো অনুষ্ঠান বা দাওয়াতে খিচুড়ির জুড়ি মেলা ভার। ঈদের দিন সকালের রেসিপিতে রাখতে পারেন খুলনার ঐতিহ্যবাহী নারকেল দুধ দিয়ে চুইঝালের খিচুড়ি।
জেনে নিন রেসিপি-
উপকরণ: ১/২ কেজি সুগন্ধি কালোজিরা পোলাও বা আতপ চাল, ১/২ কাপ পরিমাণ মসুর ডাল, ১/২ কাপ বুটের ডাল, ২ কাপ, নারকেলের দুধ, ১/২ কাপ চিকন করে কুচি পেঁয়াজ, ১ চা চামচ আদা বাটা, ১ চা চামচ জিরা বাটা, ১ চা চামচ গরম মশলা বাটা, ১ টেবিল চামচ হলুদ গুঁড়া, স্বাদ মতো লবণ, পরিমাণ মতো পানি, ২/৩টা ফালি কাঁচা মরিচ, ২/৩টা শুকনো মরিচ, ৫/৬টা আস্ত রসুন ও পরিমাণ মতো ফুটন্ত গরম পানি।
পদ্ধতি: প্রথমে চাল ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিবো। মসুর এবং বুটের ডাল একসাথে ২০ মিনিট পানিতে ভিজিয়ে রাখবো। ২০ মিনিট পর পানি থেকে তুলে ছেঁকে নিবো। বুটের ডাল হাফ সিদ্ধ করে নিব। এবারে একটি হাঁড়িতে পরিমাণ মতো ঘি বা তেল গরম করে তাতে পেঁয়াজ কুচি দিয়ে বেরেশতা করে নিব। এরপর আদা বাটা, জিরা বাটা এবং গরম মশলা দিয়ে অনবরত নেড়েচেড়ে নিবো। মশলা হালকা কষিয়ে এতে হাফ কাপ নারকেল দুধ দিয়ে আবারও ভালোভাবে কষিয়ে নিতে হবে। এরপর ধুয়ে পানি ঝরিয়ে রাখা চাল ডাল দিয়ে ৫/১০ মিনিট ভেজে নিবো এবং চাল ভাজতে ভাজতে একটু লালচে হয়ে এলেই বাকি দেড় কাপ নারকের দুধ এবং পরিমাণ মতো ফুটন্ত গরম পানি দিয়ে দিবো, যেহেতু নারকেল দুধ দিয়েছি তাই সেই পরিমাণ অনুযায়ীই গরম পানি দিতে হবে, যাতে খিচুড়ি নরম না হয়ে যায়। এই খিচুড়ি ঝরঝরে হবে খুব। নেড়েচেড়ে সব মিশিয়ে কয়েকটি কাঁচামরিচ ফালি, চুইঝালের টুকরা, আস্ত রসুন গুলো ছড়িয়ে ঢাকনা দিয়ে মিডিয়াম আঁচে খিচুড়ি রান্না করবো ১০ মিনিট। ১০ মিনিট পর মোটামুটি খিচুড়ি হয়ে এলে একবার হালকা নেড়ে দিবো। চারিদিক থেকে সব খিচুড়ি একসাথে করে চেপে চেপে দিবো এবং মৃদু আচেঁ খিচুড়ি দমে দিবো ১০ মিনিট এর জন্য। দমে রাখা খিচুড়ির উপর ২ টেবিল চামচ ঘি ছড়িয়ে আবারও ঢাকনা দিয়ে ৫/৬ মিনিট দমে রেখে নামিয়ে নিবো। সবশেষে গরম গরম পরিবেশন করবো নারকেল দুধে ভুনা খিচুড়ি।
খুলনা গেজেট/এএজে

